অ্যানেসথেসিয়া সেক্টরের বিদ্যমান অপতৎপরতা রুখতে হার্ডলাইনে বিএসএ-সিসিপিপি বরিশাল শাখার নেতৃবৃন্দ। এ বিষয়ে বরিশাল নগরীসহ বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় ক্লিনিকে বিশেষ নজরদারির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
আজ ২৭ জুন শনিবার বাংলাদেশ সোসাইটি অফ অ্যানেস্থেসিওলজিস্টস ক্রিটিক্যাল কেয়ার অ্যান্ড পেইন ফিজিশিয়ানস (বিএসএ-সিসিপিপি) এর বরিশাল শাখার এক সাধারণ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের অ্যানেস্থেসিওলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও বরিশাল শাখার বাংলাদেশ সোসাইটি অফ অ্যানেস্থেসিওলজিস্টস ক্রিটিক্যাল কেয়ার অ্যান্ড পেইন ফিজিশিয়ানস (বিএসএ-সিসিপিপি)’র সভাপতি প্রফেসর ডা. মো. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বেলা ১২টায় অনুষ্ঠিত সাধারণ সভার সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ সোসাইটি অফ অ্যানেস্থেসিওলজিস্টস ক্রিটিক্যাল কেয়ার অ্যান্ড পেইন ফিজিশিয়ানস (বিএসএ-সিসিপিপি) এর বরিশাল শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. বদরুদ্দোজা মো. জোবায়েদ।
সাধারণ সভায় বলা হয়, বরিশাল নগরীসহ বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় বেশ কিছু ক্লিনিকে সার্জন নিজেই অ্যানেস্থেসিয়া ও সার্জারি একই সাথে করে আইনবিরোধী কার্যক্রমে লিপ্ত হচ্ছেন। পাশাপাশি কতিপয় অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট একই সাথে একই সময়ে অপারেশন থিয়েটারের একাধিক টেবিলে অ্যানেস্থেসিয়া কার্যক্রম পরিচালনা করে পেশাগত অবমূল্যায়ন করছেন এবং বিএমডিসি’র সনদবিহীন অ্যানেস্থেসিওলজিস্টরা বিভিন্নভাবে অপতৎপরতায় লিপ্ত হচ্ছেন। এই সকল অপকার্যক্রম প্রতিহত করার জন্য বিশেষ নজরদারির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় অ্যানেসথেসিয়া সেক্টরের বিদ্যমান সমস্যার বিষয়ে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক, সিভিল সার্জন এবং বিভিন্ন ক্লিনিক মালিকদের অবহিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেস্থেসিওলজি বিভাগের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সোসাইটি অফ অ্যানেস্থেসিওলজিস্টস ক্রিটিক্যাল কেয়ার অ্যান্ড পেইন ফিজিশিয়ানস (বিএসএ-সিসিপিপি) এর বরিশাল শাখার সহ-সভাপতি ডা. এ.কে.এম. ফখরুল আলম ও ডা. মোঃ জাহিদ হাসান, কোষাধ্যক্ষ ডা. জিয়াউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মো. মেহেদী হাসান আউমি, প্রেস ও প্রকাশনা সম্পাদক ডা. মো. ইমরানুল হাসান আরজু, বৈজ্ঞানিক সম্পাদক ডা. মো. শাকুরুজ্জামান ও দপ্তর সম্পাদক ডা. চাঁদনী সিদ্দিকী।