
পুলিশ জানায়, এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের ধারাবাহিক অভিযোগ, চাঁদা দাবি, স্টল দখল, মারধর এবং মাদকসংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ লিপিবদ্ধ ছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভাটারখাল এলাকায় দৃশ্যত স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়। দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্কে থাকা স্থানীয়দের অনেকেই প্রকাশ্যে বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ… অবশেষে স্বস্তি ফিরেছে।”
ভাটারখালের কয়েকজন দোকানদার জানান, প্রতিনিয়ত চাঁদা দাবি এবং হুমকিতে তাঁরা স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছিলেন না। একাধিক ভুক্তভোগী বলেন,
“আজ সত্যিই মনে হচ্ছে আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারব।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাসুম দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র নিয়ে এলাকায় দাপট দেখিয়ে আসছিল। একইসাথে
বাজারে জোরজবরদস্তি করে স্টল দখল, ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে টাকা আদায়, মাদক লেনদেনের পথরক্ষা, ভিন্নমতকারীদের ওপর হামলা এগুলো ছিল উল্লেখযোগ্য।
এসব কারণে ভাটারখাল এলাকা কার্যত অসুরক্ষিত ও থমথমে পরিস্থিতিতে পড়েছিল বলে অভিযোগকারীরা জানান।
পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে পাওয়া অভিযোগগুলো তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একজন কর্মকর্তা বলেন,“কোনো অভিযোগকে হালকাভাবে দেখা হবে না। এলাকা নিরাপদ রাখতে কঠোর অবস্থানে আছে পুলিশ।”
স্থানীয়দের একটাই প্রত্যাশা, মাসুম ও তার চক্রের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত, বিচার এবং এলাকাকে স্থায়ী নিরাপত্তার আওতায় আনা।