আদালতের নিষেধ অমান্য করে মেহেন্দীগঞ্জ কাজিরহাট থানার ওসির সহযোগিতায় আদর্শ নগর গ্রামে জমির ধান কেটে নিয়েছি সন্ত্রাসী চাদাবাজরা। আজ শনিবার সকালে কাজিরহাট থানাধীন আদর্শ নগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে ঐ গ্রামের সন্ত্রাসী চাদাবাজ গ্রুপ খেতের ধান কেটে নেওয়ার পায়তারা করে। এতে জমির মালিক একই গ্রামেরজালাল আহম্মেদ খানের পুত্র জাকির আহম্মেদ খান বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে কাজিরহাট থানার ওসিকে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্দেশ প্রদান করেন।মামলা নম্বর হলো এমপি ১৬৫৩।
মামলায় বিবাদীরা একই গ্রামের শাহজাহান সরদারের পুত্র আলমগীর সরদার, আমির হোসেন বেপারী, তাজেম বেপারী, করিম বেপারী দুলাল বেপারী সহ ৩৪ জন।
মামলা সূত্র জানায়কাজিরহাট থানার আদর্শনগর গ্রামের জাকির আহম্মেদ খান গংরা তাদের রেকর্ডীয় প্রায় ৩ একর জমিতে ভোগ দখল করে আসছে দীর্ঘ বছর।
কাজিরহাট থানার আদর্শনগর গ্রামের জাকির আহম্মেদ খান গংরা তাদের রেকর্ডীয় প্রায় ৩ একর জমিতে ভোগ দখল করে আসছে দীর্ঘ বছর। পাশাপাশি ঐ জমিতে বনজ ও ফলজ রোপনের পাশাপাশি ধান চাষ করে আসছে।
কিন্তু একই এলাকার আলমগীর সরদার ও আমির বেপারী দখলবাজ সন্ত্রাসী গংরা তাদের ভোগদখলীয় জমি দখলের পায়তার করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩১ অক্টোবর দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জাকির গংদের ভোগ দখলীয় জমিতে প্রবেশ করে বনজ ও ফলজ গাছ কেটে নিয়ে যায়। এতে করে জাকির খান আদালতে মামলা করলে আদালত ঐ জমিতে নিষেধাজ্ঞা দেন।
এদিকে মামলার পরও দখলবাজ সন্ত্রাসী আলমগীর গংরা জাকির খান গংদের জমিতে লাগানো ধান কেটে নেওয়ার পায়তারা করতে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতা আজ শনিবার সকালে আলমগীর গংরা প্রায় কয়েকশত সন্ত্রাসী বাহিনী ঐ জমির জাকির খানের লাগানো পাকা ধান কেটে নিয়ে যায়।
জাকির খান গংরা অভিযোগ করে জানান শুক্রবার দিবাগত রাতে কাজির হাট থানায় ওসির সাথে আলমগীর গংরা গোপন বৈঠক করে ধান কেটে নেওয়ার বিষয়। পাশাপাশি ঐ বৈঠকে আলমগীর গংরা ওসিকে ঘুষ প্রদান করেন।
কাজির হাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান জমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু নিষেধ অমান্য করে বিরোধী জমিতে ধান কেটে নেওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়।
তবে পক্ষপাতিত্ব করার বিষয় অস্বীকার করেন ওসি।
এদিকে জাকির খান গং থানায় অভিযোগ দিতে গেলে ওসি গড়িমসি করে। প্রায় চার ঘন্টা পর ওসি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠায়। এতে কিছু সময় ধান কাটা বন্ধ রাখে। পুলিশ চলে গেলে আবার আলমগীর গংরা ধান কেটে নিয়ে যায়।
এ বেপারে বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলামকে তার মুঠো ফোনে কল দিলে রিসিভ করেনি।