বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) থেকে বাড়ি ফিরছিলেন এক যুবক। গভীর রাত, চারপাশে নিস্তব্ধতা। হাসপাতালের লাশকাটা ঘর পার হওয়ার ঠিক পর মুহূর্তেই তাঁর চোখে পড়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা এক অদ্ভুত আকৃতির ছায়ামূর্তি। দূর থেকে মনে হচ্ছিল মানুষ; কাছে যেতেই মনে হলো চেহারাটা যেন ধোঁয়ার মতো ঝাপসা, চোখদুটো জ্বলজ্বল করছে অস্বাভাবিক আলোয়।
ওই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করতে ফোন তুলতেই আচমকা সেই ছায়ামূর্তিটি ঝাঁপিয়ে পড়ে ছেলেটির ওপর। মুহূর্তের মধ্যে তিনি রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলে, “ওটা মানুষ ছিল না। হয়তো ভূত, হয়তো জিন জাতি… কিংবা রাত্রির কোন নরখাদক ছায়া।”
হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীরা ছেলেটিকে উদ্ধার করে দ্রুত শেবাচিম হাসপাতালে নেন। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।
স্থানীয়রা বলছেন, রাতের বেলা লাশকাটা ঘর ও আইএইচটিআই ভবনসংলগ্ন রাস্তা বহুদিন ধরেই রহস্যময়। অন্ধকার নামলেই সেখানে অদ্ভুত শব্দ, ছায়া, আর অজানা শীতল হাওয়ার প্রবাহ টের পাওয়া যায়।
রাতের এই ঘটনার পর এলাকাবাসীর সতর্কবার্তা, যে-করেই হোক, গভীর রাতে শেবাচিমের লাশকাটা ঘর বা আইএইচটিআই পথ ধরে কেউ যেন না আসে।”
অনেকে বলছেন, সেই ছায়ামূর্তির পায়ের শব্দ নেই, নিশ্বাস নেই, কথাও বলে না, তবু মনে হয়, কেউ যেন খুব কাছে দাঁড়িয়ে তাকিয়ে আছে!
বরিশালে এখন একটাই প্রশ্ন, রাতের সেই ছায়া কি সত্যিই অলৌকিক কিছু, নাকি অন্ধকারে লুকিয়ে থাকা অজানা কোনো বিপদ?”
