বিশেষ প্রতিনিধি ;
কখনো আওয়ামী লীগ নেতা আবার কখনো বিএনপি নেতা হিসাবে জহির করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। পিঠ বাঁচাতে আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে যোগাদানের অভিযোগ উঠেছে। রয়েছে , সুদের ব্যবসা,জমি দখলসহ নানা অপরাধে জড়িত। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মামলা থেকে নিজেকে বাঁচাতে কৌশলে নগর বিএনপিতে যোগদানের খবর পাওয়া গেছে। বলছি নগরীর ৫নং ওয়ার্ড দক্ষিণ পলাশপুর প্রধান সড়কের বাসিন্দা আলী মিয়া ও তার ছেলেদের কথা।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায় , পলাশপুরে পিতা ও পুত্ররা ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছেন। অভিযুক্ত আলী মিয়া ৫নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। বিগত সময় আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে মিছিল মিটিংসহ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীসহ নানা প্রোগ্রামে অংশ গ্রহন করেছিলেন। কখনো সাদিক আবদুল্লাহর আবার কখনো খোকন সেরনিয়াবাত এর বিভিন্ন প্রোগ্রামে ছিলেন আলী মিয়া।
অভিযোগের বিষয় অনুসন্ধানে গিয়ে সত্যতা পাওয়া যায়, অনুসন্ধানে দেখা যায়, আলী মিয়া ওয়ার্ডে নিজে বিএনপির প্রভাব খাটিয়ে গত ৫ আগস্টের পর নিজেকে বিএনপির নেতা দাবি করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নগরীজুড়ে। এ যেন সিনেমার শক্তিম্যান চরিত্র ধারন করেছেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে নিজে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেও এখন বিএনপিতে যোগাযোগ করেছেন। আর দুই ছেলেকে রেখেছেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কমিটিতে।
একটি ছবিতে দেখাযায়, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে আলী মিয়া আওয়ামী লীগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কেক কেটে আনন্দ করেন। অন্য একটি ছবিতে দেখাযায় সাবেক স্বৈরাচার মেয়র খোকন সেরনিয়াবাত এর পক্ষে ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ করেন। এছাড়াও তার ছোট ছেলে আজমির নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সদস্য হওয়ায় পুলিশ আটক করেন। পরে আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পায়। তবে বড় ছেলে রাব্বি বর্তমানে সন্ত্রাস দমন আইনের মামলায় পলাতক রয়েছে। এছাড়াও আলী মিয়া ছেলেরা বর্তমানে আজমির ও রাব্বি ছাত্রলীগের নেতা পরিচিত।
এবিষয় আলী মিয়ার মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি মাহফিলে আছি। কথা শোনা যাচ্ছে না। পরে কথা বলি।