বরিশাল–পটুয়াখালী মহাসড়কের দপদপিয়া ইউনিয়ন কলেজ সংলগ্ন এলাকায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় এক র্যাব সদস্য নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজি/অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এসময় আরও ৩ জন গুরুতর আহত হন, যাদের দ্রুত উদ্ধার করে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

🚑 দুর্ঘটনার বর্ণনা
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেশি ছিল। দপদপিয়া ইউনিয়ন কলেজের সামনে পটুয়াখালী থেকে বরিশালগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষ এতটাই তীব্র ছিল যে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে।
ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন র্যাব সদস্য (পরিচয় নিশ্চিতের চেষ্টা চলছে)। স্থানীয়রা ও পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
👥 আহতদের অবস্থা
আহতের সংখ্যা বর্তমান অবস্থা
৩ জন গুরুতর আহত, শেবাচিমে চিকিৎসাধীন
১ জন অবস্থা সংকটাপন্ন, ঢাকায় রেফার করা হয়েছে
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, আহতদের শরীরে গুরুতর আঘাত রয়েছে এবং তারা এখনও শঙ্কামুক্ত নন।
🚓 পুলিশ ও প্রশাসনের বক্তব্য
ঘটনার পরপরই পুলিশ ও হাইওয়ে টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা চালায় এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ শুরু করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন,
“দুর্ঘটনার কারণ প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত গতি এবং বিপজ্জনক ওভারটেকিং বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।”
💔 শোকের ছায়া
দুর্ঘটনায় র্যাব সদস্যের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের পরিবেশ নেমে আসে। সহকর্মী, পরিবার ও স্থানীয়দের চোখে মুখে ছিল গভীর বেদনার ছাপ।
✅ শেষ কথা
মহাসড়কে ক্রমবর্ধমান সড়ক দুর্ঘটনা জনজীবনে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। নিরাপদ সড়কের দাবিতে সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের অভিযোগ— আইন মানা ও কঠোর ট্রাফিক তদারকি ছাড়া এ মৃত্যুর মিছিল থামবে না।