ভুক্তভোগী আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস. এম. তৌহিদুর রহমান বুধবার (১৩ মে) বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে ৫ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ১০-১২ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।
আদালতের বিচারক শরমিন জাহান অভিযোগ আমলে নিয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকে এফআইআর গ্রহণ ও তদন্তের নির্দেশ দেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামি তাজরিন জাহান ইভা ও মো. সাইফুল ইসলাম জমিজমা সংক্রান্ত আইনি পরামর্শের কথা বলে দীর্ঘদিন ধরে ওই আইনজীবীর চেম্বারে যাতায়াত করতেন। পরে তারা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের অংশ হিসেবে পরিকল্পিতভাবে আইনজীবীর ব্যক্তিগত ছবি ও তথ্য সংগ্রহ করে।
অভিযোগে বলা হয়, গত ৮ ও ৯ মে আইনজীবীর ছবি এডিট করে মানহানিকর ভিডিও তৈরি করা হয় এবং কয়েকটি ফেসবুক পেইজে তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আসামি তাজরিন জাহান ইভা নিজেকে ওই আইনজীবীর ‘স্ত্রী’ দাবি করে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার করেন।
এরপর চক্রটি আইনজীবীর কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন— তাজরিন জাহান ইভা (৩৭), মো. সাইফুল ইসলাম (৪২), মো. আসাদ (৫৭), মো. ফিরোজ (৪৭) ও মারিয়া বেগম (২৬)।
এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট এস. এম. তৌহিদুর রহমান বলেন, “এটি একটি সংঘবদ্ধ ব্ল্যাকমেইলিং চক্র। তারা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আমার ও আমার পরিবারের মান-সম্মান ক্ষুণ্ণ করেছে। সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে তারা প্রতারণা ও চাঁদাবাজি চালায়।”
তবে অভিযোগের বিষয়ে প্রধান আসামি তাজরিন জাহান ইভাসহ অন্য আসামিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশে ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।