1. admin@dailybarishalmukhopatro.com : admin-barishal :
  2. adminaminalamin@gmail.com : দৈনিক বরিশাল মুখপত্র : দৈনিক বরিশাল মুখপত্র
শিরোনামঃ
নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কীর্তনখোলায় রাতভর ইলিশ শিকার! দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ, পুলিশের সম্পৃক্ততা নিয়েও প্রশ্ন পাওনা টাকা চাইতেই গুলি! প্রাণ বাঁচাতে খালে ঝাঁপ ঠিকাদারের, অভিযুক্তের পলায়ন নিউনেস ল্যাবরেটরি স্কুলে মায়েদের মিলনমেলা, ‘মাদার্স মোমেন্ট’ অনুষ্ঠিত দুর্গোৎসবে যাত্রীসেবায় বরিশাল বিআরটিসির বিশেষ বাস সার্ভিস তারেক রহমানের নির্দেশনায় বরিশালে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মো: এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় নিউনেস ল্যাবরেটরি স্কুলে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু বাবুগঞ্জে ভুয়া চিকিৎসকের প্রতারণা, ১৫ বছর ধরে রোগী দেখার অভিযোগ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: আবেগের আড়ালে সত্য, গুজবের বিরুদ্ধে সাংবাদিকতার লড়াই সাংবাদিক বাঁচলে সংবাদ বাঁচবে, সংবাদ বাঁচলে গণতন্ত্র বাঁচবে ; সাংবাদিকের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও মর্যাদা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্রের ভিত্তিই হয়ে উঠবে দুর্বল ! অনিয়ম দুর্নীতিতে জর্জরিত বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলঃ দুদকে অভিযোগ

শেবাচিমে ক্ষমতার পালাবদল নাকি মুখোশ বদল! আওয়ামী প্রভাবশালীদের ছায়াতেই এখনো হাসপাতালের নিয়ন্ত্রণ!

নিজস্ব প্রতিবেদক✍️
  • প্রকাশিত সময় বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩৫৮ বার পড়েছেন

শেবাচিমে ক্ষমতার পালাবদল নাকি মুখোশ বদল? আওয়ামী প্রভাবশালীদের ছায়াতেই এখনো হাসপাতালের নিয়ন্ত্রণ!

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের নিয়ন্ত্রণ এখনো সেই পুরনো হাতেই রয়ে গেছে — শুধু বদলে গেছে তাদের পরিচয়ের মুখোশ। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের এক বছর পরও হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতি গঠিত হয়েছে সেইসব ব্যক্তিদের নিয়েই, যারা একসময় ক্ষমতার ছায়ায় থেকে দাপট দেখাতেন।

সাধারণ কর্মচারীদের অভিযোগ, আওয়ামী আমলে যারা প্রভাব খাটিয়ে হাসপাতাল চালাতেন, তারাই এখন নতুন রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় জায়গা নিতে মরিয়া। কেউ ফুল দিয়ে ক্ষমা চাইছেন, কেউ আবার নতুন পরিচয়ে পুরনো ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন।

হাসপাতালের সাধারণ কর্মচারীরা জানিয়েছেন, কারাগারে থাকা সাবেক এমপি জাহিদ ফারুক শামীম ও পলাতক সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অনুসারীরাই এখন শ্রমিক সংগঠনগুলোর নেতৃত্ব দখলের চেষ্টা করছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর যখন বরিশালজুড়ে তাদের নেতাকর্মীরা গা-ঢাকা দেন, তখন শেবাচিমে ঘটে ভিন্ন বাস্তবতা। এখানকার চতুর্থ শ্রেণির স্টাফ ইউসুফ আলী মিলনের অনুসারীরাই নেপথ্যে থেকে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে তোলেন।

হাসপাতালের দুইজন স্টাফ নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান— আওয়ামী শাসনামলে ইউসুফ আলী মিলন ছিলেন হাসপাতালের “অঘোষিত নিয়ন্ত্রক”। তার ছেলে আবদুল্লাহ আল প্রিন্স ছিলেন ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। তাদের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন আল মামুন রাব্বি, তারিকুল ইসলাম রনি, ফয়সাল রালি প্রমুখ।
তারা হাসপাতালের প্রতিটি নিয়োগ, বদলি, এমনকি টেন্ডারেও প্রভাব খাটাতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সরকার পতনের পর নানা মামলায় জড়িত হয়ে মিলন আত্মগোপনে চলে গেলেও, তার অনুসারীরা এখন আবারো নতুন রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ফিরতে চেষ্টা করছেন। কেউ বিএনপি নেতাদের পাশে ছবি তুলছেন, কেউ ফুল দিচ্ছেন— যেন অতীত ভুলে যাওয়া যায়।

এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, “ফ্যাসিস্ট সরকারের অনুগত যারা ছিল, তাদের দলে জায়গা দেওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। সুযোগসন্ধানীদের বিষয়ে আমরা সতর্ক। কেউ যেন ফুল দিয়ে অপরাধ ঢাকতে না পারে, সবাইকে সেই বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।”

হাসপাতালের সাধারণ কর্মচারীরা বলছেন, “যারা একসময় ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে, এখনো তাদের দাপট টের পাওয়া যায়। প্রতিবাদ করতে গেলেই চাকরি হারানোর ভয়।”
ফলে শেবাচিম হাসপাতালের পরিবেশে এখনো ভয়, অবিশ্বাস আর ক্ষোভের বাতাস বইছে।

বরিশালের মানুষের প্রাণের প্রতিষ্ঠান শেবাচিম হাসপাতাল এখনো মুক্ত নয় রাজনীতির ছায়া থেকে।
প্রশ্ন একটাই— ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে, কিন্তু মনোবল ও মানসিকতার বদল কবে হবে?

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 dailybarishalmukhopatro.com