1. admin@dailybarishalmukhopatro.com : admin-barishal :
  2. adminaminalamin@gmail.com : দৈনিক বরিশাল মুখপত্র : দৈনিক বরিশাল মুখপত্র
শিরোনামঃ
বরিশাল জেলা জামায়াতের দায়িত্বশীল শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করলেই সুন্দর সমাজ গড়া সম্ভব- জিয়াউদ্দিন সিকদার শিশুর মনোসামাজিক সুরক্ষায় বরিশালে তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন বাবুগঞ্জে ৯ কেজি গাঁজাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার অধ্যক্ষের স্বেচ্ছাচারীতায় শেবাচিম কেন্দ্রীয় মসজিদে দীর্ঘদিন যাবৎ ঝুলে আছে ইমাম-মুয়াজ্জিনের নিয়োগ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালে ‘মা ও শিশু উৎসব’ অনুষ্ঠিত বরিশালে জজ কোর্টের সামনে হামলা, আহত নারী-থানায় এজাহার বরিশাল জেলা সংযুক্ত শ্রমিক ফেডারেশনের ২০২৬ অভিষেক অনুষ্ঠিত মির্জাগঞ্জে ছাত্রদলের সব ইউনিয়ন কমিটি বাতিল, সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত বিডি ক্লিন বরিশালের অতিরিক্ত সমন্বয়ক মিনহাজুল আবেদিন শান্ত’র উপর সন্ত্রাসী হামলা

শেবাচিমে ক্ষমতার পালাবদল নাকি মুখোশ বদল! আওয়ামী প্রভাবশালীদের ছায়াতেই এখনো হাসপাতালের নিয়ন্ত্রণ!

নিজস্ব প্রতিবেদক✍️
  • প্রকাশিত সময় বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩২৮ বার পড়েছেন

শেবাচিমে ক্ষমতার পালাবদল নাকি মুখোশ বদল? আওয়ামী প্রভাবশালীদের ছায়াতেই এখনো হাসপাতালের নিয়ন্ত্রণ!

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের নিয়ন্ত্রণ এখনো সেই পুরনো হাতেই রয়ে গেছে — শুধু বদলে গেছে তাদের পরিচয়ের মুখোশ। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের এক বছর পরও হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতি গঠিত হয়েছে সেইসব ব্যক্তিদের নিয়েই, যারা একসময় ক্ষমতার ছায়ায় থেকে দাপট দেখাতেন।

সাধারণ কর্মচারীদের অভিযোগ, আওয়ামী আমলে যারা প্রভাব খাটিয়ে হাসপাতাল চালাতেন, তারাই এখন নতুন রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় জায়গা নিতে মরিয়া। কেউ ফুল দিয়ে ক্ষমা চাইছেন, কেউ আবার নতুন পরিচয়ে পুরনো ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন।

হাসপাতালের সাধারণ কর্মচারীরা জানিয়েছেন, কারাগারে থাকা সাবেক এমপি জাহিদ ফারুক শামীম ও পলাতক সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অনুসারীরাই এখন শ্রমিক সংগঠনগুলোর নেতৃত্ব দখলের চেষ্টা করছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর যখন বরিশালজুড়ে তাদের নেতাকর্মীরা গা-ঢাকা দেন, তখন শেবাচিমে ঘটে ভিন্ন বাস্তবতা। এখানকার চতুর্থ শ্রেণির স্টাফ ইউসুফ আলী মিলনের অনুসারীরাই নেপথ্যে থেকে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে তোলেন।

হাসপাতালের দুইজন স্টাফ নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান— আওয়ামী শাসনামলে ইউসুফ আলী মিলন ছিলেন হাসপাতালের “অঘোষিত নিয়ন্ত্রক”। তার ছেলে আবদুল্লাহ আল প্রিন্স ছিলেন ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। তাদের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন আল মামুন রাব্বি, তারিকুল ইসলাম রনি, ফয়সাল রালি প্রমুখ।
তারা হাসপাতালের প্রতিটি নিয়োগ, বদলি, এমনকি টেন্ডারেও প্রভাব খাটাতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সরকার পতনের পর নানা মামলায় জড়িত হয়ে মিলন আত্মগোপনে চলে গেলেও, তার অনুসারীরা এখন আবারো নতুন রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ফিরতে চেষ্টা করছেন। কেউ বিএনপি নেতাদের পাশে ছবি তুলছেন, কেউ ফুল দিচ্ছেন— যেন অতীত ভুলে যাওয়া যায়।

এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, “ফ্যাসিস্ট সরকারের অনুগত যারা ছিল, তাদের দলে জায়গা দেওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। সুযোগসন্ধানীদের বিষয়ে আমরা সতর্ক। কেউ যেন ফুল দিয়ে অপরাধ ঢাকতে না পারে, সবাইকে সেই বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।”

হাসপাতালের সাধারণ কর্মচারীরা বলছেন, “যারা একসময় ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে, এখনো তাদের দাপট টের পাওয়া যায়। প্রতিবাদ করতে গেলেই চাকরি হারানোর ভয়।”
ফলে শেবাচিম হাসপাতালের পরিবেশে এখনো ভয়, অবিশ্বাস আর ক্ষোভের বাতাস বইছে।

বরিশালের মানুষের প্রাণের প্রতিষ্ঠান শেবাচিম হাসপাতাল এখনো মুক্ত নয় রাজনীতির ছায়া থেকে।
প্রশ্ন একটাই— ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে, কিন্তু মনোবল ও মানসিকতার বদল কবে হবে?

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 dailybarishalmukhopatro.com