1. admin@dailybarishalmukhopatro.com : admin-barishal :
  2. adminaminalamin@gmail.com : দৈনিক বরিশাল মুখপত্র : দৈনিক বরিশাল মুখপত্র
শিরোনামঃ
অসুস্থ শ্রমিকদল নেতা বাঘা শহিদের পাশে জিয়াউদ্দিন সিকদার জজ কোর্টের সামনে হামলা, এজাহারভুক্ত আসামি নাঈম গ্রেপ্তার বরিশাল জেলা জামায়াতের দায়িত্বশীল শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করলেই সুন্দর সমাজ গড়া সম্ভব- জিয়াউদ্দিন সিকদার শিশুর মনোসামাজিক সুরক্ষায় বরিশালে তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন বাবুগঞ্জে ৯ কেজি গাঁজাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার অধ্যক্ষের স্বেচ্ছাচারীতায় শেবাচিম কেন্দ্রীয় মসজিদে দীর্ঘদিন যাবৎ ঝুলে আছে ইমাম-মুয়াজ্জিনের নিয়োগ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালে ‘মা ও শিশু উৎসব’ অনুষ্ঠিত বরিশালে জজ কোর্টের সামনে হামলা, আহত নারী-থানায় এজাহার বরিশাল জেলা সংযুক্ত শ্রমিক ফেডারেশনের ২০২৬ অভিষেক অনুষ্ঠিত

“টাকা না দিলেই মামলা! বরিশালে ট্রাফিক পুলিশের নামে কোটি টাকার ‘বিট বাণিজ্য’—নৈরাজ্যে পরিবহন খাত”

নিজস্ব প্রতিবেদক✍️
  • প্রকাশিত সময় মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১২৮ বার পড়েছেন

 প্রশ্ন উঠছে এখন—এই ‘বিট বাণিজ্যের’ নেপথ্যে কারা? আর কবে বন্ধ হবে সড়কের এই প্রকাশ্য চাঁদাবাজি?

স্টাফ রিপোর্টার | বরিশাল
বরিশালের সড়ক-মহাসড়কে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে ট্রাফিক পুলিশের নামে বহুল আলোচিত ‘বিট বাণিজ্য’। প্রায় ২০ মাস বন্ধ থাকার পর নতুন করে শুরু হওয়া এই অবৈধ মাসোয়ারা আদায়ে নগরজুড়ে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক ও নৈরাজ্যের পরিবেশ। অভিযোগ উঠেছে—নির্দিষ্ট অংকের টাকা না দিলেই পরিবহন মালিক ও চালকদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র ও পরিবহন মালিকদের দাবি, নগরে চলাচলকারী থ্রি-হুইলার, রেন্ট-এ-কার, আন্তঃজেলা বাস থেকে শুরু করে পণ্যবাহী ট্রাক-পিকআপ—কেউই এই চাঁদাবাজি থেকে রেহাই পাচ্ছে না। প্রতিটি যানবাহনকে মাসিক ভিত্তিতে নির্দিষ্ট হারে টাকা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। বিনিময়ে কাগজপত্রহীন, অবৈধ কিংবা ফিটনেসবিহীন গাড়িগুলোও নির্বিঘ্নে চলাচলের সুযোগ পাচ্ছে।

আরও জানা গেছে, এই ‘বিট’ ব্যবস্থার আওতায় নির্দিষ্ট সংকেত বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পুলিশি তল্লাশি এড়িয়ে চলছে অনেক যানবাহন। ফলে সড়কে শৃঙ্খলার পরিবর্তে তৈরি হয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ট্রাফিক পুলিশের নাম ভাঙিয়ে মাসে প্রায় ২৩ লাখ টাকা পর্যন্ত তোলা হচ্ছে। বছর শেষে যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩ কোটি টাকার কাছাকাছি। যদিও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার মো. শরফুদ্দীন বলেন, “এ ধরনের কোনো মাসোয়ারা বা বিট বাণিজ্যের বিষয় আমাদের জানা নেই। কেউ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
একইসঙ্গে ট্রাফিক বিভাগের টিআই (প্রশাসন) এখলাসুর রহমানও দাবি করেন, “ট্রাফিক পুলিশের কোনো সদস্য টাকা নেয় না। কে বা কারা এ ধরনের কার্যক্রম চালায়, তা আমাদের জানা নেই।

তবে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ভিন্ন চিত্র তুলে ধরছে বলে দাবি করছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গত মার্চ মাস থেকে আবারও সক্রিয় হয়েছে এই সিন্ডিকেট। আর এতে জড়িয়ে পড়েছে একটি প্রভাবশালী দালালচক্র, যারা পুলিশের নাম ব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্থ আদায় করছে।

এদিকে সচেতন মহল বলছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু দুর্নীতিকেই উসকে দিচ্ছে না, বরং পুরো পরিবহন ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 dailybarishalmukhopatro.com