বিশ্ব হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী ৬ জুন থেকে হাসপাতালে ১০ শয্যা বিশিষ্ট হেমাটোলজি ডে কেয়ার ইউনিট চালু করা হবে।
বুধবার বেলা ১২টায় হাসপাতালের মেডিসিন কনফারেন্স রুমে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি বলেন, নতুন এই ডে কেয়ার ইউনিটে হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীদের পাশাপাশি ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদেরও চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হবে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে হেমাটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় হাসপাতালের হেমাটোলজি বহির্বিভাগ ও ল্যাবরেটরি কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। ডে কেয়ার ইউনিট চালু হলে রোগীরা আরও আধুনিক ও বিস্তৃত সেবা পাবেন।
সভায় স্বাগত বক্তব্যে হেমাটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী বলেন, বর্তমানে দেশে হিমোফিলিয়া আক্রান্ত ৩ হাজার ৩ শত রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগেই রয়েছেন ৩৪৭ জন। এসব রোগীর চিকিৎসা ও সেবায় শেবাচিম হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তিনি জানান, চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত বিভাগটি থেকে চিকিৎসাসেবা পেয়েছেন ১২০৬ জন রোগী। এছাড়া ৩১ এপ্রিল থেকে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ৪৪ জন রোগীকেও চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (অর্থ ও ভাণ্ডার) ডা. আবদুল মুনয়েম সাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি ডা. কামরুদ্দোজা হাফিজউল্লাহ, শিশু সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. তৈহিদুর রহমান, হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আরিফ এবং কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মাদ নাজিম উদ্দিন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. একেএম নজমূল আহসান, মিড লেভেল ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. ফয়সাল আহম্মেদ, সিনিয়র ক্লিনিক্যাল প্যাথলজিস্ট ডা. আশিক দত্ত, হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ বরিশাল অঞ্চলের আহ্বায়ক রাহাত কাজী, যুগ্ম আহ্বায়ক মহাসিন চৌধুরী, সদস্য সচিব শাহিন চৌধুরীসহ সন্ধানী, মেডিসিন ক্লাব ও যুব রেড ক্রিসেন্টের শিক্ষার্থীরা।