1. admin@dailybarishalmukhopatro.com : admin-barishal :
  2. adminaminalamin@gmail.com : বরিশাল মুখপত্র : বরিশাল মুখপত্র
১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শুক্রবার| সকাল ৯:২৮|
শিরোনামঃ
বরিশাল নগরীর পলাশপুরে মোবাইল ফোনে ‘ডিল’, মাদকের জালে যুবসমাজ! অভিযুক্ত দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ভুল চিকিৎসার অভিযোগে মাদারীপুরে রোগীর মৃত্যু, হাসপাতালে ভাঙচুর ও সড়ক অবরোধ তথ্যমন্ত্রীর সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ আগৈলঝাড়ায় গাছ ব্যবসায়ীকে মারধর করে টাকা ছিনতাই, হাসপাতালে ভর্তি সাংবাদিকতা নেশা নয় এটি পেশা হিসেবে মর্যাদা দিতে হবে উজিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভয়াবহ চিকিৎসা ভুল: ৩ বছরের শিশুকে প্রাপ্তবয়স্কের ওষুধ, ডাক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ নবগঠিত ‘জিয়া মঞ্চ” বরিশাল সদর উপজেলা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত টরকী বন্দরে ফুটপাত দখলমুক্তে ইউএনও’র অভিযান এডহক কমিটি থাকতেই ‘না’ বোর্ডের—তুষখালী হোসাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ম্যানেজিং কমিটি অনুমোদন বাতিল ১৬ বছর পর ভোলা প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্ব: নবনির্বাচিত কমিটিকে বরিশাল সাংবাদিক ইউনিয়নের অভিনন্দন

বরিশালের বেগম তফাজ্জেল হোসেন মানিক মিয়া মহিলা কলেজকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক✍️
  • প্রকাশিত সময় সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ১১৪ বার পড়েছেন

বরিশালের বেগম তফাজ্জেল হোসেন মানিক মিয়া মহিলা কলেজের শিক্ষক ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে একটি মহল নানা ধরনের অপকৌশল ও অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে ঘিরে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। এ ধরনের প্রচারণায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে স্বচ্ছতা, নিয়ম-নীতি এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রেখে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ক্লাসের পাশাপাশি পরীক্ষা, মডেল টেস্ট, অতিরিক্ত পাঠদানসহ নানা একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। জানা গেছে, অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন কারণে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ে। এসব শিক্ষার্থীকে পুনরায় প্রস্তুত করে তুলতে কলেজ কর্তৃপক্ষ বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে। যারা টেস্ট পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হয়, তাদের নামমাত্র ফি নিয়ে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হয়, যাতে তারা নিজেদের প্রস্তুতি যাচাই করে পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য উপযোগী হয়ে উঠতে পারে। এছাড়া কিছু শিক্ষার্থী টেস্ট পরীক্ষায় অংশগ্রহণে অনাগ্রহ দেখায়। আবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েও অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন বিষয়ে অনুত্তীর্ণ হয়। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী করতে এবং তাদের পুনরায় প্রস্তুতির সুযোগ করে দিতে একটি ফেরতযোগ্য জামানত নিয়ে পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে সেই জামানত ফেরত দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কলেজ সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক প্রস্তুতি আরও ভালোভাবে যাচাইয়ের জন্য মডেল টেস্ট পরীক্ষারও আয়োজন করা হয়। এসব পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে যে ফি নির্ধারণ করা হয়, তা শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করে স্ব-প্রণোদিত হয়ে প্রদান করে থাকে। কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের চাপ প্রয়োগ করে অর্থ আদায় করা হয় না বলেও জানানো হয়েছে। এদিকে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান উন্নয়নের জন্য শিক্ষকরা নিয়মিত ক্লাসের পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্লাসও নিয়ে থাকেন। এসব অতিরিক্ত ক্লাসের জন্য শিক্ষকরা আলাদা কোনো দাবি করেন না। তবে শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের অতিরিক্ত পরিশ্রম ও সময়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে স্বেচ্ছায় একটি নির্দিষ্ট সম্মানী প্রদান করে থাকে বলে জানা গেছে।

কলেজ কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া প্রতিটি বৈধ লেনদেন যথাযথ নিয়ম মেনে সম্পন্ন করা হয়। ব্যাংকে জমা দেওয়া রশিদের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের জেনারেল ফান্ডেও অর্থ জমা করা হয় এবং প্রতিটি লেনদেনের বিপরীতে নির্ধারিত রশিদ প্রদান করা হয়। ফলে আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয় বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক আফজাল হোসেন বলেন, “কলেজে কোনো অবৈধভাবে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হয় না। প্রতিটি লেনদেন বৈধভাবে এবং রশিদসহ সম্পন্ন করা হয়। শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও সঠিকভাবে পাবলিক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করতে কিছু একাডেমিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কিন্তু একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ সবসময় শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে যেসব বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো যাচাই করে দেখার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও শিক্ষাব্যবস্থার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধ হওয়া জরুরি। একই সঙ্গে প্রকৃত তথ্য যাচাই করে বিষয়টি দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও তারা মত দিয়েছেন।

এদিকে কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত ক্লাস, পরীক্ষা ও মডেল টেস্টের মাধ্যমে তাদের পড়াশোনার মান উন্নয়নে শিক্ষকরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারা বলেন, পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালো করতে শিক্ষকরা অনেক সময় অতিরিক্ত ক্লাস নেন এবং পড়ালেখার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন। শিক্ষার্থীদের দাবি, কলেজে কোনো ধরনের জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের ঘটনা তারা দেখেননি। বরং পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সুযোগ দেওয়ার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে।
তারা আরও বলেন, “কিছু বিভ্রান্তিকর তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় আমরা হতাশ। কলেজের প্রকৃত চিত্র না জেনে অপপ্রচার চালানো ঠিক নয়। আমরা চাই সংশ্লিষ্টরা সঠিক তথ্য যাচাই করে বিষয়টি দেখুক।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
রমজান সময়সূচি

আজ ৩০ রমজান

সেহরির শেষ: --

ইফতার শুরু: --

.

Developed by Barishal Host

© All rights reserved © 2025 dailybarishalmukhopatro.com