1. admin@dailybarishalmukhopatro.com : admin-barishal :
  2. adminaminalamin@gmail.com : দৈনিক বরিশাল মুখপত্র : দৈনিক বরিশাল মুখপত্র
শিরোনামঃ
করে দেখিয়ে দিলাম, নাকি সত্যিই কিছু করলাম—এমন আয়োজনের তাৎপর্য কী? প্রসঙ্গ: বিচ কার্নিভাল ২০২৬, কুয়াকাটা বরিশালের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে ‘১০০ টাকার মুহুরী’ পরিবারকে ঘিরে মাদক কারবারের অভিযোগ, আতঙ্কে স্থানীয়রা! বরিশালে পত্রিকার আদলে ভুয়া পেজের ছড়াছড়ি, বিবেকের কাঠগড়ায় প্রকৃত সাংবাদিকরা : হয়রানির শিকার পুলিশ প্রশাসন-রাজনৈতিক ব্যক্তিরা কবে বন্ধ হবে প্রতিহিংসার রাজনীতি? চরামদ্দিতে বিধবার দুটি কাঁঠালগাছ কাটার অভিযোগ বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে ১৪তম গ্রেডের কর্মচারী সাইফুল সার্ভেয়ারের জমি ও ভবনে সাড়ে ৪ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ, অর্থের উৎস কী! ইজিবাইক চালক নাজমুল হত্যার বিচার দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল বরিশালে ইয়াবার ‘ওপেন সিক্রেট’ বাণিজ্য! বরিশাল নগরীর ইসলামপাড়া মুহুরী পরিবারের বিরুদ্ধে গডফাদার-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ, অস্ত্রের ভয়ে নীরব এলাকাবাসী? ইলিশ রক্ষায় বরিশাল মৎস্য বিভাগের নজরদারি কোথায়? রাতের আঁধারে পার হচ্ছে ইলিশের চালান! এক যুগের ময়লা-আবর্জনা সরাতে উদ্যোগ, পরিচ্ছন্ন হচ্ছে বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের পুকুর

বরিশালে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের হাজার হাজার টাকা গচ্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক✍️
  • প্রকাশিত সময় মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪২২ বার পড়েছেন

বরিশাল নগরীতে মিটার না দেখে পূর্বের বিলের অনুমানের ভিত্তিতে বিদ্যুৎ বিল করায় গ্রাহকদের হাজার হাজার টাকা গচ্চা যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি মিটারের চেয়ে বেশি রিডিং দেখি ইউনিট বাড়িয়ে দেওয়ায় ইউনিট প্রতিও বাড়তি রেট গুনতে হয় গ্রাহকদের। এসব বিষয় উল্লেখ করে নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন একজন ভুক্তভোগী গ্রাহক।

বরিশাল নগরীর বিআইপি শাখা সড়কে বসবাসকারী ঐ ভুক্তভোগী গতকাল চাঁদমারী ওয়েষ্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন (বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১) এর নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগটি সাধারণ শাখা গ্রহণ করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অপেক্ষমান রাখে।

এছাড়া একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, মিটার রিডাররা সরেজমিনে না গিয়েই বিল করেন। ইচ্ছেমত যার যত খুশি ইউনিট দেখিয়ে দেন। এসব নিয়ে গ্রাহকদের ভোগান্তির শেষ নেই।

লিখিত অভিযোগে গ্রাহক বলেন, কয়েক মাস পূর্বে আমাদের মিটার রিডারের দায়িত্বে আসেন হারুনর রশিদ। তিনি আসার প্রথম মাস থেকে ৪০০ ইউনিট করে বিল দেখান। কিছুদিন পর আমার সন্দেহ হলে আমি চেক করে মিটারে বিলের চেয়ে রিডিং কম দেখতে পাই।

এরপর রিডার হারুন সাহেবকে ফোন দিয়ে নিয়ে সরাসরি দেখাই। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে জানান, সামনের দিকে আর এভাবে হবেনা । অথচ এর পরেও তিনি মিটার না দেখেই গড়ে বিল দেখিয়ে যাচ্ছেন। নভেম্বর মাসে বিল দেখিয়েছেন ২৪০ ইউনিট। একমাস পরে বর্তমানে আছে মাত্র ৮৫ ইউনিট। অর্থাৎ তৎকালীন সময়ে তিনি অগ্রীম রিডিং দেখিয়ে বিল করেছেন। এভাবে বিগত মাস সমূহে আমার অনেক টাকা গচ্চা গেছে। এসব বিষয়ে ক্ষতি পূরণ ও প্রতিকার চেয়ে অভিযোগে আবেদন করা হয়।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মিটার রিডার হারুনর রশিদ বলেন, আমি সব জায়গায় মিটার দেখেই বিল করি। সরেজমিনে না গিয়ে বিল করার কোন সুযোগ নেই। ঐ গ্রাহকের যে গ্যাপ হয়েছে সেটা ঠিক করে দেওয়া যাবে।

ওয়েষ্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন (বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুল কুমার স্বর্ণকার বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত স্বাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 dailybarishalmukhopatro.com