বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে (শেবামেক) চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মোহাম্মদ সবুর খানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও কর্মচারীদের জিম্মি করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয় ও দলের নাম ভাঙিয়ে নিয়মিতভাবে স্টাফদের কাছ থেকে মাসিক চাঁদা আদায় করছেন বলে অভিযোগ করেছেন সহকর্মীরা।
অভিযোগ রয়েছে, সবুর খান কর্মচারীদের অন্যত্র বদলি করার ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ আদায় করেন। এর ফলে সাধারণ কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে আউটসোর্সিং কর্মচারীরা ৪-৫ মাসের বেতন না পেলেও সবুর খানের চাঁদা চাওয়ার চাপে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তিনি তাদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য অধ্যক্ষ বরাবর আবেদন করেন বলেও জানা গেছে।
এ অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে অসহায় আউটসোর্সিং কর্মচারীরা অধ্যক্ষের কার্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং সবুর খানের বদলির দাবিতে স্মারকলিপি পেশ করেন।
কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, সবুর খান বিএনপির নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি করছেন, যা দলের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করছে। তারা এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে উচ্চপর্যায়ের নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
ভুক্তভোগীরা অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে সবুর খানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।