1. admin@dailybarishalmukhopatro.com : admin-barishal :
  2. adminaminalamin@gmail.com : দৈনিক বরিশাল মুখপত্র : দৈনিক বরিশাল মুখপত্র
শিরোনামঃ
বরিশালে পত্রিকার আদলে ভুয়া পেজের ছড়াছড়ি, বিবেকের কাঠগড়ায় প্রকৃত সাংবাদিকরা : হয়রানির শিকার পুলিশ প্রশাসন-রাজনৈতিক ব্যক্তিরা কবে বন্ধ হবে প্রতিহিংসার রাজনীতি? চরামদ্দিতে বিধবার দুটি কাঁঠালগাছ কাটার অভিযোগ বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে ১৪তম গ্রেডের কর্মচারী সাইফুল সার্ভেয়ারের জমি ও ভবনে সাড়ে ৪ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ, অর্থের উৎস কী! ইজিবাইক চালক নাজমুল হত্যার বিচার দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল বরিশালে ইয়াবার ‘ওপেন সিক্রেট’ বাণিজ্য! বরিশাল নগরীর ইসলামপাড়া মুহুরী পরিবারের বিরুদ্ধে গডফাদার-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ, অস্ত্রের ভয়ে নীরব এলাকাবাসী? ইলিশ রক্ষায় বরিশাল মৎস্য বিভাগের নজরদারি কোথায়? রাতের আঁধারে পার হচ্ছে ইলিশের চালান! এক যুগের ময়লা-আবর্জনা সরাতে উদ্যোগ, পরিচ্ছন্ন হচ্ছে বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদের পুকুর বরিশাল নগরীর বগুড়া রোডে ২৩৫ পিস ইয়াবাসহ সাবেক সেনাসদস্য ও স্ত্রী গ্রেপ্তার কালকিনিতে ভাড়ায় মারামারি করতে এসে হত্যা মামলার আসামি নিহত, আহত ৫

ফিরোজ মোস্তফার ওপর হামলা কোনো একক ঘটনা নয়—এটি একটি বড় সমস্যার প্রতিচ্ছবি

✍️ আসাদুজ্জামান মুরাদ ✍
  • প্রকাশিত সময় মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪৭৯ বার পড়েছেন

মন্তব্য কলাম আসাদুজ্জামান মুরাদ 

২০০৪-০৫ সালের দিককার স্মৃতি এখনো তাজা। তখন থেকেই সাংবাদিক ফিরোজ মোস্তফার সঙ্গে আমার পরিচয়, পরে বন্ধুত্ব। একসাথে কাজ করেছি দীর্ঘদিন—২০১১ সাল পর্যন্ত। মানুষের মধ্যে যে আন্তরিকতা, সৌজন্য, বন্ধুত্ববোধ থাকে—ফিরোজ সেসবের এক উজ্জ্বল উদাহরণ। ব্যস্ততার কারণে যোগাযোগ কমে গেলেও, বন্ধুত্বের টান কখনো কমেনি।

কিন্তু মাত্র দু’দিন আগে তাঁর ওপর বর্বর হামলার খবর আমাকে নির্বাক করে দেয়। বন্ধু হিসেবে, সহকর্মী হিসেবে, একজন মানুষ হিসেবে—আমি গভীরভাবে ব্যথিত, ক্ষুব্ধ এবং উদ্বিগ্ন।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাত। স্থান—বরিশাল নগরের গোড়াচাঁদ দাশ রোডের আল জামিয়া মাদ্রাসা ভবনের দ্বিতীয় তলার বাসা।

সেখানে ঢুকে এশিয়ান টেলিভিশনের বরিশাল ব্যুরো প্রধান সাংবাদিক ফিরোজ মোস্তফাকে হাতুড়ি দিয়ে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে একজন পুলিশ সদস্য—কনস্টেবল নাভিদ আনজুম।

হাতুড়ির আঘাতে রক্তাক্ত অবস্থায় ফিরোজকে পরে উদ্ধার করে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ এবং নিয়ে যায় শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।
একজন সাংবাদিকের ওপর এ ধরনের নির্মম হামলা শুধু উদ্বেগজনকই নয়—এটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

সখ্যতা থেকে সাইবার ব্ল্যাকমেইল, এরপর বন্দিত্ব—অমানবিক নির্যাতনের শিকার একজন সাংবাদিকফিরোজ মোস্তফার বর্ণনা শোনার পর গা শিউরে ওঠে।

নাভিদ আনজুম নিজেকে খেলোয়াড় পরিচয় দিয়ে ফিরোজের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। কিছুদিন পরই প্রকাশ পায় তার মাদক সেবন ও অনলাইন ক্যাসিনো চক্রের সংযোগ।

গত ২৫ অক্টোবর রাতে নাভিদ ও তার লোকজন ফিরোজের বাসায় ঢুকে তাকে অমানবিক নির্যাতন করে। ২৫ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ফিরোজকে আটকে রাখে।
এমনকি উলঙ্গ করে নির্যাতনের ভিডিও ধারণও করে—যা একটি পুলিশ সদস্যের দ্বারা সংঘটিত ভয়াবহ অপরাধ। ৯৯৯-এ কল করে অবশেষে উদ্ধার ধৃষ্টতা এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে—নাভিদ তাকে হুমকি, ভয়ভীতি দেখিয়ে আটকে রাখে অবশেষে ২ নভেম্বর ফিরোজ ৯৯৯-এ কল দিলে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।

৩ নভেম্বর পুলিশ কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ করার পর ১৩ নভেম্বর তদন্ত সভায়ও নাভিদ ফিরোজকে প্রকাশ্যে হুমকি দেয়।
এটি শুধু দুঃসাহস নয়—এটি দেখায়, সে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী হয়ে ওঠেছে।

আজ ফিরোজ আক্রান্ত—আগামীকাল আরেকজন সাংবাদিক, সাধারণ মানুষ, ছাত্র, পথচারীও হতে পারেন।

এ ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ তদন্ত এবং দোষীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত না হলে,
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা আরও কমে যাবে।

ন্যায়বিচার শুধু ফিরোজের জন্য নয়—সবার জন্য।
এটাই সময়, অপরাধীকে পুলিশ পরিচয়ের আড়াল থেকে বের করে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 dailybarishalmukhopatro.com