বরিশাল নগরীতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা, স্থবির হয়ে পড়ছে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম। একই সঙ্গে উৎপাদন ও স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে বিভিন্ন কলকারখানায়।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।
নগরীর শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) থেকে শুরু করে বরিশাল জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে। এতে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা পরিচালনায় বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎনির্ভর চিকিৎসা সরঞ্জাম ও জরুরি সেবার কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে বিদ্যুৎ না থাকায় কর্মজীবী মানুষ, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। কলকারখানার কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন কার্যক্রমেও প্রভাব পড়ছে।
হাসপাতাল ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় নগরবাসীর মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে চিকিৎসাসেবার মতো জরুরি খাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে ঠিক কী কারণে এ দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে, কখন বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এবং লোডশেডিংয়ের পেছনে কোনো কারিগরি ত্রুটি রয়েছে কি না—তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জরুরি চিকিৎসাসেবা ও জনজীবনের স্বাভাবিক কার্যক্রম সচল রাখতে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।