বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) – দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের আশা-ভরসার এই হাসপাতালটিতে শুরু হয়েছে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধের নতুন এক যুগ। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডাঃ মোঃ মশিউল মুনীর নিজ হাতে কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দেখাচ্ছেন কীভাবে সঠিকভাবে ফগার মেশিন পরিচালনা করে হাসপাতালের প্রতিটি কোণ জীবাণুমুক্ত রাখা যায়।
মানবসেবার ব্রত নিয়ে প্রতিদিন যিনি হাসপাতালের প্রতিটি কর্মীর মনোবল জাগিয়ে রাখেন, সেই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডাঃ মোঃ মশিউল মুনীর আবারও প্রমাণ করলেন-একজন সৎ, কর্মঠ ও দূরদর্শী প্রশাসক হলে পরিবর্তন সম্ভব।
আজকের প্রশিক্ষণ সেশনে তিনি নিজেই ফগার মেশিনের কার্যপদ্ধতি দেখান, কীভাবে এর মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস ধ্বংস করা সম্ভব, তা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন,“হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ড, করিডোর এবং সার্ভিস এরিয়া আমাদের রোগীদের নিরাপত্তার ক্ষেত্র। সঠিকভাবে ফগার মেশিন ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ কমিয়ে আনতে পারব। এটা শুধু একটি যন্ত্র নয়-এটা আমাদের রোগীদের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতীক।”
প্রশিক্ষণে উপস্থিত নার্স, পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও টেকনিশিয়ানরা বলেন, “পরিচালক স্যার নিজে উপস্থিত থেকে আমাদের হাতে-কলমে শেখাচ্ছেন-এটা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার।”
হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ইতোমধ্যেই নিয়মিত জীবাণুমুক্তকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ইনডোর ও অপারেশন থিয়েটারে ফগার মেশিন ব্যবহার শুরু হওয়ার পর রোগী ও চিকিৎসক উভয়ের মধ্যেই এক ধরনের স্বস্তি ফিরে এসেছে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডাঃ মোঃ মশিউল মুনীর বলেন, “শেবাচিম হাসপাতাল কেবল চিকিৎসার স্থান নয়-এটি মানবতার সেবাকেন্দ্র। এখানে প্রত্যেকের দায়িত্ব আছে একে আরও নিরাপদ, আরও জীবাণুমুক্ত রাখার।”
তার নেতৃত্বে শেবাচিম হাসপাতালের পরিবেশে এখন এক নতুন উদ্যমের সঞ্চার ঘটেছে। ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ শুধু প্রযুক্তির নয়, এটি মানবতারও এক জাগরণ।
বরিশালবাসী আশাবাদী-ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডাঃ মোঃ মশিউল মুনীরের নেতৃত্বে শেবাচিম হাসপাতাল হয়ে উঠবে দেশের অন্যতম আদর্শ ও জীবাণুমুক্ত স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র।