স্থানীয়দের দাবি, দিনের বেলায় স্বাভাবিক মনে হলেও রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়কটির বিভিন্ন অংশে অপরাধীদের তৎপরতা বেড়ে যায়। নির্জন ও অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকাগুলোতে পথচারী ও যানবাহন থামিয়ে টাকা-পয়সা, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
বিশেষ করে রাতের বেলায় একা চলাচলকারী পথচারী, মোটরসাইকেল আরোহী ও স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অনেকেই আতঙ্কে রাতের পর ওই সড়ক দিয়ে চলাচল এড়িয়ে চলছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও নিয়মিত টহল জোরদার, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশি নজরদারি এবং পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে অপরাধীরা সুযোগ নিচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।
এদিকে সড়কটিতে ছিনতাই-ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, রাতের বেলায় নিয়মিত পুলিশি টহল, সন্দেহজনক ব্যক্তিদের ওপর নজরদারি এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত লোহালিয়া ব্রিজ থেকে শৌলা পর্যন্ত সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে পুলিশি টহল বাড়ানো, পর্যাপ্ত সড়কবাতির ব্যবস্থা এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, রাতের আঁধারে লোহালিয়া-শৌলা সড়কে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে কে?