1. admin@dailybarishalmukhopatro.com : admin-barishal :
  2. adminaminalamin@gmail.com : দৈনিক বরিশাল মুখপত্র : দৈনিক বরিশাল মুখপত্র
শিরোনামঃ
রাত হলেই পটুয়াখালীর লোহালিয়া-শৌলা সড়কে আতঙ্ক!ছিনতাই-ডাকাতির অভিযোগে নিরাপত্তাহীন পথচারী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শামসুল কবির ফরহাদের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ‘অপপ্রচার’ শব্দের আড়ালে কার স্বার্থ? বরিশালের সাংবাদিকতায় তেলবাজির নতুন সংস্কৃতি! ৯ দেওয়ানি মামলার জবাব দিতে এক বছরের বেশি সময়ক্ষেপণ ; মহিপুর ভূমি অফিসের তহশিলদার সেই আসিফকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বরিশাল কাউনিয়ায় পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ইয়াবা-গাঁজা ও লাখ টাকাসহ আটক ৮ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে বরিশালে বিভাগীয় সেমিনার বৈদেশিক টাকায় গৌরনদীতে হারিছকে পূণঃপ্রতিষ্ঠিার করার মিশনে ক্যাডার বাহিনী ‘সিরিয়াল পেতে যুদ্ধ, টেস্টের পর টেস্ট!’—ডা. অমিতাভকে ঘিরে ফেসবুকে অভিযোগের ঝড় ; সরকারি কর্মঘণ্টায় রোগী দেখা ও বেসরকারি চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি নলছিটিতে মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ: ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, নিহত ১ বরিশাল ইইডি: ১ কোটি ১৭ লাখ টাকার কাজ করিয়ে বিল পেটে পুরলেন প্রকৌশলী শহিদুল, হুমকি প্রভাবশালী ঠিকাদারের

‘অপপ্রচার’ শব্দের আড়ালে কার স্বার্থ? বরিশালের সাংবাদিকতায় তেলবাজির নতুন সংস্কৃতি!

নিজস্ব প্রতিবেদক✍️
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৭ বার পড়েছেন

আসাদুজ্জামান মুরাদ 

বরিশালে সাংবাদিকতার দৃশ্যপট কি বদলে যাচ্ছে? নাকি সাংবাদিকতার পরিচয়কে ঢাল বানিয়ে নতুন এক ধরনের তদবির, তেলবাজি আর স্বার্থরক্ষার সংস্কৃতি জায়গা করে নিচ্ছে, এই প্রশ্ন এখন উঠতেই পারে।

বেশ কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি, কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ প্রশাসনের সদস্য, প্রশাসক, চিকিৎসক কিংবা রাজনৈতিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো গণমাধ্যমে নথিপত্র, কাগজপত্র বা অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ হলেই কিছু কিছু গণমাধ্যমকর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় হয়ে উঠছেন। তাদের লেখার ভাষা প্রায় একই, অমুকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত একটি মহল।

আজ পুলিশের বিরুদ্ধে সংবাদ, অপপ্রচার।
কাল কোনো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অপপ্রচার।
পরদিন জেলা প্রশাসন নিয়ে প্রশ্ন, অপপ্রচার।
কোনো সরকারি দপ্তরের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ, সেটিও নাকি অপপ্রচার!

প্রশ্ন হচ্ছে, প্রমাণসহ কোনো অভিযোগের সংবাদ প্রকাশ হলেই সেটি কীভাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘অপপ্রচার’ হয়ে যায়?

কোনো সংবাদ ভুল হলে তার প্রতিবাদ করার অধিকার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অবশ্যই আছে। তথ্য ভুল হলে সংশোধন চাইতে পারেন। প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থাও নিতে পারেন। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের পরপরই কোনো সাংবাদিক যদি অনুসন্ধান না করেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তির পক্ষে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে যান এবং সংবাদটিকে ‘অপপ্রচার’ বলে চালিয়ে দেন, তাহলে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে, এই প্রতিরক্ষার পেছনে আসলে কারণটা কী?

সাংবাদিকতার কাজ কারও বিরুদ্ধে অন্ধভাবে দাঁড়ানো নয়, আবার কারও পক্ষে অন্ধভাবে ঢাল হয়ে দাঁড়ানোও নয়। সাংবাদিকের দায়িত্ব হলো তথ্য যাচাই করা, প্রশ্ন করা এবং জনগণের সামনে সত্য তুলে ধরা।

কোনো কর্মকর্তা যদি সৎ হন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তের মাধ্যমে মিথ্যা প্রমাণিত হোক, এটাই স্বাভাবিক প্রত্যাশা। কোনো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করুক। পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে যথাযথ তদন্ত হোক। প্রশাসনের কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তারও ব্যাখ্যা আসুক। কিন্তু তার বদলে যদি শুরু হয়।

অপপ্রচার চলছে!
একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে!
সুনাম নষ্টের চেষ্টা!

তাহলে পাল্টা প্রশ্ন উঠবেই-অভিযোগের জবাব কোথায়? তদন্ত কোথায়? নথির ব্যাখ্যা কোথায়?

আর সবচেয়ে বড় কথা, সাংবাদিকতার নামে যদি কেউ নিয়মিতভাবে বিভিন্ন বিতর্কিত ব্যক্তির পক্ষে অবস্থান নিতে থাকেন, তাহলে সেই অবস্থানকে জনগণ কীভাবে দেখবে-সেটিও ভাবার বিষয়।

তেলেরও তো একটা সীমা থাকে! কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে মনে হচ্ছে, কারও কারও তেলের বোতল যেন তলাবিহীন! প্রতিদিন একই ধরনের পোস্ট, একই ধরনের ভাষা, একই ধরনের প্রতিরক্ষা। দেখে মনে হয়সংবাদ যাচাই করার চেয়ে সংবাদদাতাকে আক্রমণ করাই যেন বড় দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অবশ্যই সবাইকে এক কাতারে ফেলা ঠিক হবে না। সত্যিকারের সাংবাদিকদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি-দালালি আর সাংবাদিকতা এক জিনিস নয়।

কেউ যদি প্রমাণসহ সংবাদ প্রকাশ করেন, তার সংবাদ ভুল হলে তথ্য দিয়ে প্রতিবাদ করুন। আর সংবাদ সঠিক হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহির আওতায় আনুন। কিন্তু প্রতিটি অভিযোগকে ‘অপপ্রচার’ বলে উড়িয়ে দিয়ে দুর্নীতি বা অনিয়মের অভিযোগকে আড়াল করার চেষ্টা হলে সেটিও প্রশ্নের বাইরে থাকতে পারে না।

কারণ,সাংবাদিকের কলম যদি সত্যের বদলে স্বার্থের কাছে জিম্মি হয়ে যায়, তাহলে ক্ষতিটা শুধু একটি সংবাদমাধ্যমের নয়; ক্ষতিটা পুরো সাংবাদিকতা পেশার। আজ শুধু প্রশ্ন রাখলাম।তবে বিষয়টি এখানেই শেষ নয়।

যারা প্রতিনিয়ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন কর্মকর্তা, চিকিৎসক, পুলিশ কিংবা রাজনৈতিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রমাণভিত্তিক সংবাদকে ‘অপপ্রচার’ আখ্যা দিয়ে প্রতিরক্ষায় নামছেন, তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলার সময় এসেছে।

কে কেন এত ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন? কার স্বার্থ রক্ষা করছেন? সাংবাদিকতা, নাকি অন্য কোনো সম্পর্কের দায় পালন করছেন?

সব প্রশ্নের উত্তর এখনই দিচ্ছি না।

বাকিটা থাকল পরবর্তী পর্বের জন্য।
প্রয়োজনে নামও আসবে।

পরবর্তী পর্বের জন্য তোলা রইল।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 dailybarishalmukhopatro.com