কলম ধরেছিলাম সত্য লেখার শপথ নিয়ে,
কিন্তু আজ দেখছি— সত্য লিখতে গেলেই হাস্যরসের খোরাক হয়ে যেতে হয়!
তাহলে কি সাংবাদিকতার সংজ্ঞা বদলে গেছে?
সত্য লিখলে যদি তা হলুদ হাস্যরস বলে ব্যঙ্গ করা হয়,
তাহলে প্রশ্ন জাগে— সত্য আসলে কোনটা? কার কাছে সত্যের অনুমোদন চাই?
সাংবাদিকতার প্রথম শর্ত সত্য,
কিন্তু বাস্তবতা হলো—
সত্য লিখলেই মুখ বন্ধ করার চাপ আসে, কলম থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলে।
যারা সত্যকে ধারণ করার কথা, কখনো কখনো তারাই সত্যের পথ আটকায়।
আমি লিখেছি— কারণ সত্য লিখতেই এসেছি।
হাসির পাত্র হয়েছি— তবুও লিখেছি।
এক পক্ষ আমাকে ব্যঙ্গ করেছে— তবুও থামিনি।
কারণ আমি ওয়াদা করেছি—
সত্যের সাথে আপোষ নয়।
🌑 সত্য আজ বাধার শৃঙ্খলে,
কিন্তু কলম থামলে জাতি অন্ধকারে ডুবে যাবে।
আমি জানি— সত্য লিখলে সবাই খুশি হয় না,
সত্য আঘাত করে, সত্য প্রশ্ন তোলে, সত্য ঘুম ভাঙায়,
আর ঘুম ভাঙাতে গেলেই কেউ কেউ তাকে ব্যঙ্গ বলে!
কিন্তু হ্যাঁ, আমি থামব না।
কারণ—
✊ সাংবাদিকতার কাজ সত্য বলা, কাউকে খুশি করা নয়।
আমার সেই সংগঠক ভাইদের বলছি—
আমাদের কাজে মতভেদ থাকতে পারে,
কিন্তু সত্যকে যেন শত্রু না ভাবি।
সত্য লেখার স্বাধীনতা যদি নিজেদের ঘরেই কেড়ে নেওয়া হয়,
তাহলে বাইরে গিয়ে আমরা কিসের স্বাধীনতার কথা বলবো?
🔴 সাংবাদিকের কলম থামলে সমাজ বোবা হয়ে যায়,
বিবেক ঘুমিয়ে পড়ে, আর মিথ্যারা সিংহাসন পায়।
আমি হাসির পাত্র হয়েছি—
কিন্তু ইতিহাস হাস্যরস লেখে না,
ইতিহাস লেখে তাদের, যারা সত্যের পক্ষে দাঁড়ায়।
তাই ঘোষণা করছি—
🔥 যত চাপ আসুক, যত ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ শুনতে হোক,
আমি লিখবোই।
আজ, কাল, শেষ দিন পর্যন্ত—
সত্যই লিখবো।
কারণ,
সত্যের কলম একদিন সব অন্ধকার চিরে আলো জ্বালায়।
📌 শেষ কথা:
সাংবাদিকতার শত্রু কখনো জনগণ নয়, সত্যও নয়—
শত্রু হলো নীরবতা, ভয় আর কলম থামিয়ে দেওয়ার সংস্কৃতি।
আর আমি সেই সংস্কৃতি ভাঙতেই লিখি, লিখবো, লিখেই যাব।