1. admin@dailybarishalmukhopatro.com : admin-barishal :
  2. adminaminalamin@gmail.com : দৈনিক বরিশাল মুখপত্র : দৈনিক বরিশাল মুখপত্র
শিরোনামঃ
চায়ের আড্ডা থেকে ভোটের মাঠ—দেহেরগতিতে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে শিহাব! তরুণ নেতৃত্বে ‘আধুনিক দেহেরগতি’ গড়ার প্রত্যয়, জনসম্পৃক্ততায় বাড়ছে আলোচনা মাদক কারবারিদের আতঙ্ক ওসি সনজিত, স্বস্তিতে কাউনিয়াবাসী! প্রয়াত সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির পরিবারের পাশে জিয়াউদ্দিন সিকদার জিয়া বরিশালে পিতা-মাতা হারা লামিয়ার পাশে দাঁড়ালেন মানবিক জেলা প্রশাসক মোঃ মামুন খন্দকার নটরডেম কলেজে সুযোগ পেলো বরিশাল জিলা স্কুলের ২৭ শিক্ষার্থী , প্রশংসিত প্রধান শিক্ষক! মাত্র ১৫ দিনের দায়িত্ব, ‘লাখ লাখ টাকা’ আয়ের অভিযোগ! এসআই বশিরকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ বরিশালে অসাধারণ আয়োজনে সাংবাদিকদের আনন্দ ভ্রমণ ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের ১৩৯তম আবির্ভাব দিবস পালিত চিকিৎসাধীন বিএনপি কর্মীর বাবাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে গেলেন জিয়াউদ্দিন সিকদার একই দিনে বাবা-ছেলের জন্মদিন—তসলিম উদ্দিন ও তাসরিফকে ‘দৈনিক বরিশাল মুখপত্র’ পরিবারের শুভেচ্ছা

মাত্র ১৫ দিনের দায়িত্ব, ‘লাখ লাখ টাকা’ আয়ের অভিযোগ! এসআই বশিরকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক✍️
  • প্রকাশিত সময় শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১০৯ বার পড়েছেন

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) বশিরকে ঘিরে ‘অল্প সময়ে লাখ লাখ টাকা অবৈধভাবে আয়’-এর অভিযোগ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি, অভিযোগগুলোর পক্ষে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট নথি, তদন্ত প্রতিবেদন বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি। তাদের অভিযোগ, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় একটি সুবিধাভোগী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে তার পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।

জানা গেছে, এসআই বশির গত ২১ আগস্ট ২০২৬ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অল্প সময়ের জন্য বিএমপির আরও-১ (RO-1) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব শেষে তাকে অন্য একটি কর্মস্থলে বদলি করা হয়।

সহকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই এসআই বশির পেশাগত দায়িত্ব নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও প্রচলিত নিয়ম-কানুন অনুসরণ করে পালন করার চেষ্টা করেছেন। তবে তার দায়িত্ব পালনের সময় কিছু অনৈতিক সুযোগ-সুবিধা সীমিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কয়েকজন অসন্তুষ্ট হয়ে থাকতে পারেন বলে তাদের দাবি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই দায়িত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের কিছু সদস্য অনৈতিক সুবিধা নিয়ে আসছিলেন। এসআই বশির দায়িত্ব নেওয়ার পর এসব সুযোগ-সুবিধা সীমিত করার উদ্যোগ নেওয়া হলে একটি সুবিধাভোগী মহলের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তার বিরুদ্ধে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।

সবচেয়ে বেশি আলোচিত অভিযোগ হলো—অল্প সময়ের দায়িত্ব পালন করেই এসআই বশির বিপুল পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে আয় করেছেন। তবে প্রায় ১৫ দিনের দায়িত্বকে কেন্দ্র করে লাখ লাখ টাকা অবৈধ উপার্জনের এমন দাবির পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট নথি, তদন্ত প্রতিবেদন, মামলা বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

বিএমপির সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, এসআই বশির দীর্ঘদিন ধরে বরিশালে দায়িত্ব পালন করলেও তার বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম বা অপকর্মের কোনো প্রমাণিত ঘটনা তাদের জানা নেই। তার সম্পদ ও আয়ের বিষয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত বা যাচাই করা যেতে পারে বলেও তারা মনে করেন।

সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, চাকরিজীবনে অর্জিত আয় ও সঞ্চয় থেকেই এসআই বশির নিজের জমিতে একটি ছোট একতলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। ফলে বাড়ি বা ব্যক্তিগত সম্পদকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুললে তার পক্ষে-বিপক্ষে নথিপত্র যাচাই করা প্রয়োজন।

তাদের মতে, কোনো পুলিশ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালনে কঠোর অবস্থান নিলে কিংবা কারও অনৈতিক সুবিধা বন্ধ হয়ে গেলে তার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়াশীলভাবে অভিযোগ বা অপপ্রচার চালানো উচিত নয়। একই সঙ্গে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য, সরকারি নথি, তদন্ত প্রতিবেদন ও অন্যান্য নির্ভরযোগ্য তথ্য যাচাই করা জরুরি।

তাদের দাবি, এসআই বশিরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রতিবেদন, মামলা বা প্রাসঙ্গিক নথির মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া উচিত। আর অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ না থাকলে যাচাইহীন তথ্যের ভিত্তিতে একজন পুলিশ কর্মকর্তার পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে এসআই বশির বলেন, “আমার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে। যার সঙ্গে আদৌ আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এ বিষয়ে আমি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন স্যারদের সুদৃষ্টি কামনা করছি।”

তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ই অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 dailybarishalmukhopatro.com