বিশেষ প্রতিনিধি :
ছোটখাটো ডজন খানেক অঘটনের মধ্য দিয়ে আজ ১২ ফেব্রুয়ারী বরিশাল-৪ আসনে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষে চলছে গণনা। হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-কাজীরহাট এলাকায় এই সময় দেখা দিয়েছে নতুন আশঙ্কা। ভোটকেন্দ্রের বাইরে প্রচুর লোকের আনাগোনা বেড়েছে। অনেকে দিচ্ছে মহড়া। এমন অভিযোগ তুলে আইশৃঙ্খলা বাহিনী বাড়িয়ে ভোটবাক্সের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দাবি জানানো হয়েছে। তাছাড়া ফলাফল ঘোষণা শেষে কোন প্রকার সহিংসতা এড়াতে প্রশাসনিক নজরদারি ও সেনা মোতায়েনের সংখ্যা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এই আসেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বিএনপির প্রার্থী রাজিব আহসান, জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মাওলানা আব্দুল জব্বার, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি এছহাক মোঃ আবুল খায়ের। এছাড়া আরো দুইজন প্রার্থী রয়েছে যার নাম ও মার্কা এলাকাবাসী জানেন না। তাদের মধ্যে গাড়ি মার্কা আঃ সালাম খোকন এবং বেতেরলাঠি মার্ক আব্দুল জলিল। এই দুজনকে বিএনপির রাজিব আহসানের ডামি প্রার্থী হিসেবে দাড় করানো হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া ভোটগ্রহণের দিনে ঐ দুজন প্রার্থীর নামে প্রতিটি বুথে একজন করে বিএনপি কর্মীকে এজেন্ট দেওয়া হয়েছে।
যাদের মাধ্যমে ভোট প্রদানকে প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের নেতারা।
এমতাবস্থায় স্বভাবতই ভোটকেন্দ্র ও গণনা কেন্দ্রে বিএনপির তিনজন লোকের জায়গায় অন্য প্রার্থীর রয়েছে একজন করে লোক। ফলে প্রতিটি ক্ষেত্রেই তারা পেশি শক্তি খাটানোর চেষ্টা করেছে এবং করছে বলে অভিযোগ।
বর্তমান পরিস্থিতিতে আরো বেশি প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সামরিক বাহিনীর সদস্য বাড়িয়ে ব্যালট বাক্স, প্রার্থী ও এজেন্ট সমর্থকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়েছে।