নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল:
ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকলেও বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে রাতের আঁধারে ইলিশ শিকারের অভিযোগ উঠেছে। বরিশালের আসাদুজ্জামান খসরু মিয়ার ব্রিক ফিল্ডের আশপাশের নদী এলাকায় প্রতিরাতে ইলিশ ধরা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ ঘটনায় ইমরান ও রাজিব নামে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞার সময়েও ওই দুই ব্যক্তি নিয়মিত নদীতে মাছ ধরছেন এবং বিপুল পরিমাণ ইলিশ আহরণ করছেন। তাঁদের দাবি, এভাবে অবাধে ইলিশ শিকার চলতে থাকলে মা ইলিশ সংরক্ষণ ও ইলিশের প্রজনন রক্ষায় সরকারের উদ্যোগ ব্যাহত হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কীর্তনখোলা নদীর নির্দিষ্ট ওই এলাকায় রাতের বেলায় ইলিশ শিকারের তৎপরতা চলছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকার সময়েও কীভাবে এ কার্যক্রম চলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
স্থানীয়দের আরও দাবি, ইমরান ও রাজিবের বাড়ি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের একটি খালের দুই পাশে, এপার-ওপার এলাকায়।
অভিযোগকারীদের দাবি, ইলিশ শিকারের এ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে পুলিশের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তবে কোন পুলিশ সদস্য বা ইউনিট জড়িত তা জনা যায়নি।
স্থানীয়রা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত ও অবৈধভাবে ইলিশ শিকারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অবৈধভাবে ইলিশ শিকার, পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।