নিজস্ব প্রতিবেদক।।
এক যুবতি ও এক যুবক নগরীর বিভিন্ন স্হানে স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিয়ে প্রথমে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করে। এর পর কিছু দিন যেতে না যেতেই শুরু করে নানা ধরনের প্রতারনা। অভিনব এ প্রতারনার কথা শুনলে অনেকেই অবাক হন।
অভিযোগ করেছেন, প্রতারণার ফাদে পড়া নগরীর উলালঘুনী মহাবাজ এলাকার সিপন খলিফা।তিনি জানান, আয়শা আক্তার সাথীও খায়রুল এর সাথে তার পরিচয় হয় কিছু দিন আগে। তার ব্যবসা বানিজ্যের সুবাদে ওই দুজনার সুসম্পর্ক হয়। এমন সম্পর্কে হাটখোলা এলাকার ওয়ালটনের শোরুম থেকে একটি ফ্রিজ, টেলিভিশন, ফ্যান, রাইজ কুকার, প্রেসার কুুকার মোট ২ লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকার মালামাল নেয়।
এতে সাথী ও খায়রুলের অনুরোধে গ্রেন্টার হয় সিপন খলিফা। কয়েক দিন পর তারা দুজনেই উধাও হয়ে যায়। খুজে না পেয়ে সিপন থানায় অভিযোগ করলে তাদের কে ভাটারখাল এলাকা থেকে খুজে বের করে পুলিশ। থানায় বসে সাথী টাকা পরিশোধের মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পায়।
পরে সাথী আবার নতুন করে আরেক পুরুষকে বিয়ের নামে সিএন্ডবি রোডে বাসা ভাড়া নেয়। সেখানে কিছু থেকে আবার উধাও হয়। এক পর্যায়ে সিপন খুঁজতে খুঁজতে তার বাবার বাড়ি মুলাদীর খোজ পায়।
সেখানে গিয়ে তার বাবা বাদল মিয়া কে খুজে বের করে। একাধিকবার সাথী বাবা তার মেয়ের সন্ধান দেয়ার কথা বললেও তিনি তা দেন নি। এদিকে খোজ নিয়ে জানাযায়, আয়শা আক্তার সাথী নগরীর যেখানেই বাসা ভাড়া নিয়ে থেকেছে সেখানেই প্রতারনা করেছে। পুলিশ ওই প্রতারকের সন্ধান দিতে পারছেনা