রিপোর্ট ;আসাদুজ্জামান মুরাদ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশালে বিএনপির রাজনৈতিক তৎপরতা নতুন মাত্রা পেয়েছে। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশালে আগমনকে ঘিরে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই আগমনকে কেন্দ্র করে বরিশাল মহানগর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় জোরদার করা হয়েছে নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগ কার্যক্রম।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের এই সফরকে ঘিরে বরিশালকে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী করতে একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে লিফলেট বিতরণ, পোস্টারিং, পথসভা, গণসংযোগ, উঠান বৈঠক এবং সাংগঠনিক সভা। দলটির নেতারা বলছেন, এই সফরের মাধ্যমে বরিশালে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত হবে এবং নির্বাচনী মাঠে দলটির অবস্থান সুদৃঢ় হবে।
নির্বাচনী প্রচারণায় তারেক রহমানের রাজনৈতিক বার্তা ব্যাপকভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। প্রচারণায় বর্তমান সরকারের সমালোচনার পাশাপাশি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। বিএনপি নেতারা বলছেন, তারেক রহমান দেশের জনগণের কাছে একটি গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার রূপরেখা তুলে ধরছেন, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলছে।
বরিশাল মহানগর বিএনপি ও জেলা বিএনপির একাধিক নেতা জানান, ৪ ফেব্রুয়ারির আগমনকে সামনে রেখে প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিট পর্যায়ে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন করা হয়েছে।
নেতাকর্মীদের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে যাতে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা আরও জানান, বরিশাল দক্ষিণাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অঞ্চল। এখানকার মানুষের প্রত্যাশা, সমস্যা ও সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়েই নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রচারণার বার্তা নির্ধারণ করা হচ্ছে। নদীভাঙন, কর্মসংস্থান, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন—এই বিষয়গুলো প্রচারণায় বিশেষভাবে উঠে আসছে।
সব মিলিয়ে, ৪ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের বরিশালে আগমনকে কেন্দ্র করে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা নতুন গতি পেয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
তারা বলছেন, এই সফর বরিশালের রাজনৈতিক মাঠে প্রভাব ফেলতে পারে এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য,